নীলাঞ্জনা ভৌমিক



বর্ষ " বিদায়- বরণ " 
নীলাঞ্জনা ভৌমিক

     চোদ্দশ সাতাশ চোদ্দই এপ্রিল- ---- কালের রথের চক্রের ঘর্ষণ ধ্বনি শোনা যাচ্ছে।পুরনো মান অভিমানের পালা শেষ। শুক্ন ঝরা পাতায় বর্ষশেষের ক্রন্দনের সুর দিকে দিকে ধ্বনিত হচ্ছে-----

" পেয়েছি ছুটি বিদায় দেহ ভাই
   সবারে আমি প্রণাম করে যাই। "  

বসন্ত মৃদু হেসে গ্রীষ্মকে আহ্বান জানায় , " এসো হে বৈশাখ এসো এসো "। সঙ্গে তোমার বন্ধু কালবৈশাখীকে ও নিয়ে এসো কিন্তু! নইলে তোমার উত্তপ্ত আলিঙ্গন পৃথিবী সইবে কি করে ? আমি চললাম কিছু মিষ্টি মুহূর্ত সঙ্গে নিয়ে । কিন্তু ভেবো না, এই সুন্দর ভুবন ছেড়ে কি থাকতে পারি! আমি-- " আবার আসিবো ফিরে-- ধানসিড়িটির তীরে।" কুসুম- কাননের নব পত্রালিকায়, সবুজ তৃণের তরঙ্গায়িত আহ্বানে, নদীর স্রোতের টানে , বাউলের উদাস সুরে, কবির কবিতায় -গানে গানে আমাকে আবার তুমি দেখতে পাবে। " চোদ্দশ ছাব্বিশ " হয়ে আর কোনদিন আসা হবে না তবে প্রকৃতির বুকে ফাল্গুন - চৈত্রের হাত ধরে বসন্তের নানান রঙের ফুলের ডালি সাজিয়ে আমি ফিরে আসবো - - - - -

" বিদায়ের সুরে  ভিজুক 
                 তোমার অন্তর,
  হৃদয়ে বাজুক আবার
                 নববর্ষের মন্তর।

নতুন সুরে বাজাব বাঁশি 
      নতুন ভাবনা রাশি রাশি।

আমি তোমায় করব বরণ,
     কাজের মাঝে করবো স্মরণ।
বাঁধ ভাঙ্গা সব হাসি গানে,
     তুমি এসো আমার প্রাণে। "




Post a Comment

2 Comments

  1. নতুন বছর নতুন সুরে বাজুক
    অপূর্ব লেখা

    ReplyDelete