ফেরারী বসন্ত
বসন্ত ছুঁয়েছে পলাশ শিমুল শাখে বনের অন্দরে,
নিশি ভোরে মুহুর্মুহু কুহু কুহু কুহু কোকিল কুহরে,
শতবার ডাকাডাকি গায় গান প্রিয় সাথী কোন বাঁকে ;
প্রতিডাক কানে এলে অভিসারী ছুটে যায় সেই শাখে।
বসন্ত ছুঁয়েছে আমায় থাকতে পারি না যে আর চুপে,
পলাশের রঙে স্বপ্ন আঁকে চোখ শতবার শতরূপে।
বুকে জ্বলে অনির্বাণ প্রেম হেমপ্রভা ফাগুনের আঁচে,
তৃষিত হৃদয় অদেখা সাথীর অধরের সুধা যাচে।
প্রিয়তমা নেই পাশে ফেরারী বসন্ত ফাগুনের কুঞ্জে,
ফোটে না যে কলি ফিরে যায় অলি, বৃথা মধুকর গুঞ্জে।
বসন্ত হয় তো প্রিয়াকে ছুঁয়েছে, মন করেছে উদাস,
অদেখা সে শুনতে কি পায় আমার বুকের দীর্ঘশ্বাস!
না শোনা তার মুখের কথা মরুর বুকে দোলা জাগায়,
বুকের জমাট কথামালা ঝরে পড়ে আনন্দ ধারায়।
রোদন ভরা এ বসন্তে বাজছে প্রাণে বেহাগ বিষাদ,
বসন্ত ফেরারী, বিধি কি যে করি! বাণ হেনেছে নিষাদ।


1 Comments
ফেরারী বসন্ত দিনে
ReplyDeleteউতাল হাওয়া।
অবাক হইনা কবি
এমন অবাক চাওয়ায়।