উমা দে



দোলের নানা রঙ

কৃষ্ণচূড়া পলাশের রাশিয়ায়
 যারা এসেছিলো নিয়ে তনুমন
তাদের চাওয়া পাওয়ার উর্ধ্বে
ছিল বসন্তের আভ্যন্তরীণ-রূপকে উপলব্ধি-অনুভব করা।
সেই সুবাদে গিয়েছিল শান্তিনিকেতনে
গিয়েছিল রেলপারের ঝুপড়িতে।
ওরা তখন খোল মাদোল নিয়ে
নিজেদের
মত তৈরী সুরে রাই কিশোরীকে 
কিষানের সাথে মিলিয়ে দিতে চায়।
আমি ও ছিলাম সঙ্গী হয়ে কৌতূকের...
বাঁধছে সুরে সুরে গান না কবিগান না কাওয়ালি।
গান কিন্তু খাসা একেবারে প্রাণঢালা।
তখনি স্রোতের মুখে তরী,তখনি ভাঁটার টানে।
আর ঐপাশেই একদম কাদা গোবরে মাখামাখি
এরা মনে চায়, কিন্তু অসহায়।

তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়-
যারা মৃত্যুর সাথে অহরহ খেলছে দোল
জীবন মরণ বাজি রেখে টকটকে-
লাল রঙ নিয়ে।তারাও কিন্তু বসে নেই মরার কিংবা মারার
ফিকির নিয়ে।
তাদের হোলি এক নতুনের পরশে।
কুচকাওয়াজের পর পিচকিরির রঙ একে অপরে
ভাটিয়ালি গান গান আপন করে।
অবাক নির্বাক হয়ে গেছি তাদের রকম সকম দেখে।
বললে ভয় নেই দিদিরা,এ রঙ
 ঘুচবে না কখনো  মনের পাকা রঙে খোলা,এগান থামবে না কখনো মাটির গন্ধ
মাখা।
জীবনের স্বাদ পেয়েছে এরাই,
এদের কাছে "জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য "।
তাই তো এরা নির্ভীক আনন্দ চিরসাথী...


Post a Comment

0 Comments