মনোজ কুমার রথ
চলো একটু অন্যরকম হই,
এই অসময়ের সাম্প্রতিক স্তব্ধতায়,
একটু অনিয়ম হই-একটু না হয় দুঃসাহসিক;
চুপি চুপি নিয়ম ভাঙি,
অসুস্হ সাজি এই সময়;
নিশ্চয় যানে চড়ে চলে যাই ওই আদুরে অদূূরে।
ওই তো লাল পাহাড়ির দেশ,
লাল ডুংরি সবুজ চোখ অতন্দ্র প্রহরীর;
ওই দূরে কৃষ্ণ চুঁড়া সারি সারি,
শাল পিয়ালের চোখে হার্দিক হাতছানি......
ওই তো শালের ফুলগুলি গন্ধ ছড়ায়,
ম্ ম্ গন্ধে আমোদিত বন্য বিথীকা;
চলো একটু আগুন দেখে আসি,
সারা গায়ে গন্ধ মাখি শুধু দুইজনে;
এই তো সুযোগ।
প্রেমের জন্য কতজন দিয়েছে কতকিছু,
নির্দিধায় সবকিছু দিয়েছে বিসর্জন,
সম্পত্তি ছেড়ে সম্পদকে সাথে নিয়ে
নিশ্চিন্তে হয়েছে বিবাগী!
আমরা না হয় একটু বেশিরকম আবেগি হই,
কাছে পিঠে ঘুরে আসি একটু কোথাও।
ওই রাঙা বঙ্কিম শরীর নিয়ে শুয়ে আছে
বন্য সরু পথ,
সদ্য ফুটেছে শালে সুরভিত ফুল;
দুল হবে,
দুল হবে মালা হবে......
সব হবে,
বেশ মানাবে ভালো!
কৃষ্ণচুঁড়ার নির্বাক ছায়াটাও ফিরে পাবে ভাষা,
সবাক চলচিত্র দেখবে চেয়ে চুপিসারে
ফিঙে-টিয়া-বন্যকাক-কাঠঠোকরা,
বড়ো কোনো হালকা সবুজ পাতার নীচে
সজাগ একটি হুতুম পেঁচা;
কাঠবেড়ালি কিচমিচ থামিয়ে দেবে বিস্ময়ে দেখো।
মরা নদীর দেহে জাগে অনিয়তাকার কৃষ্ণকায় শিলা;
নুড়ি গুলি কুড়িয়ে নেবে,
কুড়াবে ফেলবে আরো......;
আঁচল বিছিয়ে দেবে,
বিশুদ্ধ বাতাস নেবে সচেতন দুইটি ফুসফুস।
চলো নয় তো পাখি হই,
উড়ে যাই স্বাধীনতা সাথে নিয়ে;
সীমানার পর সীনানা পেরোই স্বেচ্ছায় বাধাহীন,
হা করে দেখে তো দেখুক যত আছে হিংসুটে মানুষ।


4 Comments
অপূর্ব ঘুরে আসা
ReplyDeleteদারুণ
ReplyDeleteদারুণ!
ReplyDeleteদারুণ!
ReplyDelete